সত্য ঘটনা অবলম্বনে-১ Based on true story-1
আমি Paranormal Activity র সাথে সরাসরি যুক্ত বিগত ৬-৭ বছর প্রায়। আমার মনে হয় অশরীরী ভগবানকে মনে প্রানে ভক্তি করে ভুতেদের উপর একফোঁটাও বিশ্বাস না রাখাটা বোধহয় একটু বোকামিই বটে।যদিও আমাদের মতো মানুষদের কাছে ভুত মানে different forms of energy এবং প্রতিদিনের নিত্যনৈমিত্তিক জীবনের একটি অংশ। যাই হোক, আর বেশি কথা না বাড়িয়ে এবার প্রধান গল্পে আসি বরং...
প্রথমেই বলে রাখি, আমি একদম লেখালিখি করি না তাই সাহিত্যগত এবং ব্যাকরণগত ভুলত্রুটি হলে ক্ষমাপ্রার্থী এবং অবশ্যই শুধরে দেবেন। আমি কোনো তান্ত্রিকতা করি না কারন সেটাতে আমার ঘোড় অ্যালার্জি।আমার এই দিকে আগমন সম্পূর্ণই আমার অজান্তে এবং রহস্যজনক ভাবে যা আমি আজও উদ্ধারের চেষ্টায় বর্তমান।আমার সম্পূর্ণ কাজটাই Meditative way তে এবং প্রকৃতির নিয়ম মেনে, যার ফলে আমার সাধারনত তেনাদের অস্তিত্ত টের পেতে যান্ত্রিক সহায়তা লাগে না। লেখাটি দেওয়ার একটাই উদেশ্য সচেতনতা বৃদ্ধি, কারন মানুষ ভুতেদের থেকেও অনেক বেশি ভয়ঙ্কর। এই ঘটনাটি আমার ই এক বান্ধবীর সাথে এবং গোপনীয়তা রক্ষার্থে গল্পে চরিত্রের নাম, স্থানের নাম, সময় পরিবর্তন করে ঘটনাটি লিখছি।
আমি, তিন্নী আর নন্দীতার বন্ধুত্ব কলেজ লাইফ থেকেই, বর্তমানে তিনজন তিন প্রান্তে থাকি বটে, কিন্তু এই আধুনিকতার যুগে আমাদের সম্পর্ক এখন ও মেসেঞ্জার ও অন্যান্য মাধ্যমে বর্তমান। এখানে শুধু তিন্নী ই আমার কার্যকলাপের কথা শুধু জানে। সেদিন বাড়ি ফিরে গান শুনছি এরকম সময় তিন্নীর ফোন আসে। “শোন না, নন্দীতা ক দিন ধরে একটা প্রবলেম এ ভুগছে বুঝলি, আমার মনে হয় এই কেস টা তোর কেস ভাই, একটু দেখ না!”। (এখানে বলে রাখি, নন্দীতার বাড়ি বাঁকুড়া, তিন্নীর কলকাতা এবং এদের দুজনের বেশ ভাব এবং দুজন দুজনের সুখ দুঃখের সঙ্গী।) আমি শুনে বললাম যে দেখ পুরো না জানলে আমার বোঝা সম্ভব না। ফলে সেদিন রাতে ফোন এ কনফারেন্স কল করা হয় এবং নন্দীতা আমাকে যা বলল তার সংক্ষিপ্তসার হোলো, বেশ কিছুদিন ধরে নন্দীতার খুব মাথা ধরছে সবসময়, ডাক্তার দেখিয়েও ফল পাইনি। দিন দিন প্রচণ্ড খিটখিটে হয়ে যাচ্ছে। ওর প্রেম সম্পর্কও খুব খারাপ যাচ্ছে, খালি ঝগড়া এবং ওর প্রেমিকের খুব শরীর খারাপ প্রায় ২সপ্তাহ ধরে, ওষুধে কাজ হচ্ছে না এবং দিন দিন তা আরও খারাপ হচ্ছে। এবং নন্দিতার মা বাবা তাদের এই সম্পর্কের সম্পূর্ণ বিরুদ্ধে এবং নন্দীতার মনে হয় এটা তার বাড়ির ই কাজ, কারন তার মা তাকে এক তাবিজ দেন এবং বলেন যে সে যেন ওই তাবিজ রোজ ওর নিজের বালিশের নীচে রেখে ঘুমায়। এটা নাকি ওর ভালোর জন্যে যাতে খুব তাড়াতাড়ি নন্দীতার একটা সরকারি চাকরি হয়ে যায়।তার মা নাকি রোজ এসে দেখে যান যে ওটা বালিশের নিচেই আছে কিনা।এই ঘটনাটার ২দিন পর থেকেই নাকি এই গুলো ঘটতে শুরু করে। নন্দীতা একটু শান্ত প্রকৃতির মেয়ে এবং অশান্তির ভয়ে এসবের অনিচ্ছা থাকা সত্তেও প্রতিবাদ করেনি। এবার এই অবস্তায় করনীয় কী! যদি সত্ত্যিই এইরকম হয়ে থাকে তবে চাইলেও এই তাবিজ টা ফেলা যাবে না কারন সকালে মা এসে ওটা না দেখলেই শুরু হবে জোর অশান্তি। এসব শুনে আমি যা বুঝলাম, যদি সত্যিই ওই তাবিজ এর জন্যে হয় তো ভালো আমি এখানে বসে সেটা নষ্ট করে দেবো শুধু যা বলবো করতে হবে। আর যদি তাবিজ এর জন্যে না হয় এবং সত্যিই কোনো নেগেটিভ এনার্জির জন্যে হয় তবে আমাকে বাঁকুড়া যেতে হবে আর উপায় নেই। এবং এটাই ওদের বললাম। ওকে বললাম সবাই ঘুমাতে চলে গেলে নিজের ঘর বন্ধ করে আমাকে তাবিজ টার একটা ছবি দেখাস। এখন ফেসবুক আর হোয়াটসঅ্যাপ এর যুগে এ আর কি বড় কথা। কথামত কাজ হলো। দেখলাম একটা ছোট্ট ১ইঞ্ছির কাঠির র মতো যা লাল সুতো দিয়ে মোটা করে পেঁচানো। সুতো টা সাবধানে খুলে তার ছবি দেখাতে বললাম, ওর ভিতর আবার কালো সুতো পেঁচানো। সেটা খোলার পর এক অদ্ভুত টাইপের কোনো সরু গাছ এর ডাল এর মতো মনে হল।একটু অদ্ভুত দেখতে এবং অদ্ভুত ব্যাপার এতদিন পর ও শুকিয়ে যাই নি, সবুজ আছে। বুঝতে দেরি হোলো না এটাই কারন এবং এটি কোনো ভালো কাজের না। এবার দেখতে হবে এটির মাধ্যমে কোনো জিন প্রয়োগ/অন্য শক্তির প্রয়োগ করা হয়েছে কিনা যেটা সামনাসামনি থাকলে খুব ই ভালো হয় কিন্তু অগত্যা! একটি ব্লেড আগুনে পুড়িয়ে ওই ডাল টি কে আড়াআড়ি কাটতে বললাম। দুভাগ যেন না হয় শুধু ডিপ করে চিড়ে দেওয়া। এরপর আমার নিজের মতো ছক বানিয়ে নন্দীতা কে বললাম এরকম একটা পাতায়ে একদম যা আছে একে ফেলতে। কথা মতো কাজ, এরপর ওকে বললাম মাটিতে একটা আসন পেতে সেখানে বসে সামনে ওই পাতার ছকটার উপর ওই তাবিজ এর কাঠী টা ওর ওপর রেখে ওটার উপর হাত এর তালু স্পর্শ করে রেখে চোখ বন্ধ করে যেন আমার কথা মনে মনে ভাবে, তেমন হলে আমরা কলেজ লাইফ এ যেমন আড্ডা মারতাম সেসব কিছু মনে করতে যেখানে আমি ছিলাম। আর সেই সময় যদি ওসব ভাবতে ভাবতে কিছু বাজে জিনিস যেমন কোনো দুর্ঘটনা, কোনো বাজে মুখ বা এরকম কোনো অস্বাভাবিক কিছু চোখে ভেসে উঠলেই আসন ছেড়ে উঠে আমাকে ফোন করবি কারন তোর চোখ বন্ধ করার সাথে সাথে আমিও মেডিটেশনে বসবো। আর পরের ৩০ মিনিটের জন্যে ফোন সাইলেন্ট রাখবি। সমস্ত কিছুর পর বুঝলাম কোনো আলাদা অশুভ শক্তির প্রয়োগ হয়নি, শুধু তাবিজ এর ব্যবস্তা করতে হবে। ওই ছক আকা কাগজ টা দিয়ে ওই কাঠী টা মুড়ে আগের মতো দুটো সুতো পেঁচিয়ে আগের মতো আবার বালিশের নিচে রেখে ওকে রোজ শুতে বললাম যাতে ওর মা কিছুই টের না পায়। কারন ওই তাবিজের কর্মক্ষমতা আর নেই। সেদিন রাতে ওর খুব ভালো ঘুম হয়। পরদিন সকাল থেকে নিজেকে অনেকটা ফ্রেশ মনে করে এবং আর মাথা ব্যাথাও হয়নি। ওর প্রিয় মানুষটি ও ২দিনের মধ্যে সুস্থ হয়ে ওঠে এবং দুজনেই বেশ ভালো আছে। নন্দীতার মা এখন ও রোজ দেখে যায় মেয়ে ওটা বালিশের নীচে রেখে ঘুমায় কিনা।
লিখেছেনঃ- Arijit Seal
Follow our Facebook Page - Aattyo(আত্ম)
প্রথমেই বলে রাখি, আমি একদম লেখালিখি করি না তাই সাহিত্যগত এবং ব্যাকরণগত ভুলত্রুটি হলে ক্ষমাপ্রার্থী এবং অবশ্যই শুধরে দেবেন। আমি কোনো তান্ত্রিকতা করি না কারন সেটাতে আমার ঘোড় অ্যালার্জি।আমার এই দিকে আগমন সম্পূর্ণই আমার অজান্তে এবং রহস্যজনক ভাবে যা আমি আজও উদ্ধারের চেষ্টায় বর্তমান।আমার সম্পূর্ণ কাজটাই Meditative way তে এবং প্রকৃতির নিয়ম মেনে, যার ফলে আমার সাধারনত তেনাদের অস্তিত্ত টের পেতে যান্ত্রিক সহায়তা লাগে না। লেখাটি দেওয়ার একটাই উদেশ্য সচেতনতা বৃদ্ধি, কারন মানুষ ভুতেদের থেকেও অনেক বেশি ভয়ঙ্কর। এই ঘটনাটি আমার ই এক বান্ধবীর সাথে এবং গোপনীয়তা রক্ষার্থে গল্পে চরিত্রের নাম, স্থানের নাম, সময় পরিবর্তন করে ঘটনাটি লিখছি।
আমি, তিন্নী আর নন্দীতার বন্ধুত্ব কলেজ লাইফ থেকেই, বর্তমানে তিনজন তিন প্রান্তে থাকি বটে, কিন্তু এই আধুনিকতার যুগে আমাদের সম্পর্ক এখন ও মেসেঞ্জার ও অন্যান্য মাধ্যমে বর্তমান। এখানে শুধু তিন্নী ই আমার কার্যকলাপের কথা শুধু জানে। সেদিন বাড়ি ফিরে গান শুনছি এরকম সময় তিন্নীর ফোন আসে। “শোন না, নন্দীতা ক দিন ধরে একটা প্রবলেম এ ভুগছে বুঝলি, আমার মনে হয় এই কেস টা তোর কেস ভাই, একটু দেখ না!”। (এখানে বলে রাখি, নন্দীতার বাড়ি বাঁকুড়া, তিন্নীর কলকাতা এবং এদের দুজনের বেশ ভাব এবং দুজন দুজনের সুখ দুঃখের সঙ্গী।) আমি শুনে বললাম যে দেখ পুরো না জানলে আমার বোঝা সম্ভব না। ফলে সেদিন রাতে ফোন এ কনফারেন্স কল করা হয় এবং নন্দীতা আমাকে যা বলল তার সংক্ষিপ্তসার হোলো, বেশ কিছুদিন ধরে নন্দীতার খুব মাথা ধরছে সবসময়, ডাক্তার দেখিয়েও ফল পাইনি। দিন দিন প্রচণ্ড খিটখিটে হয়ে যাচ্ছে। ওর প্রেম সম্পর্কও খুব খারাপ যাচ্ছে, খালি ঝগড়া এবং ওর প্রেমিকের খুব শরীর খারাপ প্রায় ২সপ্তাহ ধরে, ওষুধে কাজ হচ্ছে না এবং দিন দিন তা আরও খারাপ হচ্ছে। এবং নন্দিতার মা বাবা তাদের এই সম্পর্কের সম্পূর্ণ বিরুদ্ধে এবং নন্দীতার মনে হয় এটা তার বাড়ির ই কাজ, কারন তার মা তাকে এক তাবিজ দেন এবং বলেন যে সে যেন ওই তাবিজ রোজ ওর নিজের বালিশের নীচে রেখে ঘুমায়। এটা নাকি ওর ভালোর জন্যে যাতে খুব তাড়াতাড়ি নন্দীতার একটা সরকারি চাকরি হয়ে যায়।তার মা নাকি রোজ এসে দেখে যান যে ওটা বালিশের নিচেই আছে কিনা।এই ঘটনাটার ২দিন পর থেকেই নাকি এই গুলো ঘটতে শুরু করে। নন্দীতা একটু শান্ত প্রকৃতির মেয়ে এবং অশান্তির ভয়ে এসবের অনিচ্ছা থাকা সত্তেও প্রতিবাদ করেনি। এবার এই অবস্তায় করনীয় কী! যদি সত্ত্যিই এইরকম হয়ে থাকে তবে চাইলেও এই তাবিজ টা ফেলা যাবে না কারন সকালে মা এসে ওটা না দেখলেই শুরু হবে জোর অশান্তি। এসব শুনে আমি যা বুঝলাম, যদি সত্যিই ওই তাবিজ এর জন্যে হয় তো ভালো আমি এখানে বসে সেটা নষ্ট করে দেবো শুধু যা বলবো করতে হবে। আর যদি তাবিজ এর জন্যে না হয় এবং সত্যিই কোনো নেগেটিভ এনার্জির জন্যে হয় তবে আমাকে বাঁকুড়া যেতে হবে আর উপায় নেই। এবং এটাই ওদের বললাম। ওকে বললাম সবাই ঘুমাতে চলে গেলে নিজের ঘর বন্ধ করে আমাকে তাবিজ টার একটা ছবি দেখাস। এখন ফেসবুক আর হোয়াটসঅ্যাপ এর যুগে এ আর কি বড় কথা। কথামত কাজ হলো। দেখলাম একটা ছোট্ট ১ইঞ্ছির কাঠির র মতো যা লাল সুতো দিয়ে মোটা করে পেঁচানো। সুতো টা সাবধানে খুলে তার ছবি দেখাতে বললাম, ওর ভিতর আবার কালো সুতো পেঁচানো। সেটা খোলার পর এক অদ্ভুত টাইপের কোনো সরু গাছ এর ডাল এর মতো মনে হল।একটু অদ্ভুত দেখতে এবং অদ্ভুত ব্যাপার এতদিন পর ও শুকিয়ে যাই নি, সবুজ আছে। বুঝতে দেরি হোলো না এটাই কারন এবং এটি কোনো ভালো কাজের না। এবার দেখতে হবে এটির মাধ্যমে কোনো জিন প্রয়োগ/অন্য শক্তির প্রয়োগ করা হয়েছে কিনা যেটা সামনাসামনি থাকলে খুব ই ভালো হয় কিন্তু অগত্যা! একটি ব্লেড আগুনে পুড়িয়ে ওই ডাল টি কে আড়াআড়ি কাটতে বললাম। দুভাগ যেন না হয় শুধু ডিপ করে চিড়ে দেওয়া। এরপর আমার নিজের মতো ছক বানিয়ে নন্দীতা কে বললাম এরকম একটা পাতায়ে একদম যা আছে একে ফেলতে। কথা মতো কাজ, এরপর ওকে বললাম মাটিতে একটা আসন পেতে সেখানে বসে সামনে ওই পাতার ছকটার উপর ওই তাবিজ এর কাঠী টা ওর ওপর রেখে ওটার উপর হাত এর তালু স্পর্শ করে রেখে চোখ বন্ধ করে যেন আমার কথা মনে মনে ভাবে, তেমন হলে আমরা কলেজ লাইফ এ যেমন আড্ডা মারতাম সেসব কিছু মনে করতে যেখানে আমি ছিলাম। আর সেই সময় যদি ওসব ভাবতে ভাবতে কিছু বাজে জিনিস যেমন কোনো দুর্ঘটনা, কোনো বাজে মুখ বা এরকম কোনো অস্বাভাবিক কিছু চোখে ভেসে উঠলেই আসন ছেড়ে উঠে আমাকে ফোন করবি কারন তোর চোখ বন্ধ করার সাথে সাথে আমিও মেডিটেশনে বসবো। আর পরের ৩০ মিনিটের জন্যে ফোন সাইলেন্ট রাখবি। সমস্ত কিছুর পর বুঝলাম কোনো আলাদা অশুভ শক্তির প্রয়োগ হয়নি, শুধু তাবিজ এর ব্যবস্তা করতে হবে। ওই ছক আকা কাগজ টা দিয়ে ওই কাঠী টা মুড়ে আগের মতো দুটো সুতো পেঁচিয়ে আগের মতো আবার বালিশের নিচে রেখে ওকে রোজ শুতে বললাম যাতে ওর মা কিছুই টের না পায়। কারন ওই তাবিজের কর্মক্ষমতা আর নেই। সেদিন রাতে ওর খুব ভালো ঘুম হয়। পরদিন সকাল থেকে নিজেকে অনেকটা ফ্রেশ মনে করে এবং আর মাথা ব্যাথাও হয়নি। ওর প্রিয় মানুষটি ও ২দিনের মধ্যে সুস্থ হয়ে ওঠে এবং দুজনেই বেশ ভালো আছে। নন্দীতার মা এখন ও রোজ দেখে যায় মেয়ে ওটা বালিশের নীচে রেখে ঘুমায় কিনা।
লিখেছেনঃ- Arijit Seal
Follow our Facebook Page - Aattyo(আত্ম)

Comments
Post a Comment